জিডিপিআর ও প্রকাশ্য নথি
একটি ইউরোপীয় আইন বদলে দিয়েছে হুইজ অনুসন্ধানে সবাই কী দেখতে পান — বাংলাদেশেও।
হালনাগাদ ০২ সেপ, ২০২৬
জেনারেল ডেটা প্রোটেকশন রেগুলেশন ব্যক্তিগত তথ্য নিয়ে একটি ইউরোপীয় আইন। এটি সারা বিশ্বের নামব্যবস্থাই বদলে দিয়েছে, কারণ ইউরোপীয়দের জন্য এক রকম আর বাকি সবার জন্য আরেক রকম নথি প্রকাশ করা কোনো রেজিস্ট্রির পক্ষে সহজ নয়।
কী বদলেছে
এর আগে প্রায় যেকোনো ডোমেইনে অনুসন্ধান করলে নিবন্ধনকারীর নাম, ডাক ঠিকানা, ফোন নম্বর ও ইমেইল ঠিকানা পাওয়া যেত। এখন বেশিরভাগ রেজিস্ট্রি ব্যক্তির বদলে প্রতিষ্ঠান, দেশ আর একটি রিলে ঠিকানা ফিরিয়ে দেয়।
যা এটি করে না
ডোমেইন, নেমসার্ভার, রেজিস্ট্রার বা তারিখ কিছুই আড়াল করে না। আদালত, ট্রেডমার্কের মালিক বা রেজিস্ট্রি যথাযথ প্রক্রিয়ায় পুরো নথি পেতে চাইলে তা-ও আটকায় না। আর এটি প্রাইভেসির বিকল্প নয় — আড়াল করাটা রেজিস্ট্রি নিজে থেকেই করে, আর প্রাইভেসি এমন একটি সেবা যা রেজিস্ট্রি যা প্রকাশ করে তা-ও বদলে দেয়।
.com.bd ডোমেইনে কি এটি প্রযোজ্য?
বাংলাদেশি রেজিস্ট্রি নিজের নীতি নিজেই ঠিক করে, আর আমাদের বিক্রি করা দেশভিত্তিক এক্সটেনশনগুলোতে কতটা প্রকাশ করা হয় তা এমনিতেই আলাদা। আইনটি সবচেয়ে বেশি বদলেছে আন্তর্জাতিক এক্সটেনশনগুলোকে — .com-এ আজ অনুসন্ধান করলে আগের চেয়ে অনেক কম তথ্য আসে।
তথ্য যদি এমনিতেই আড়াল থাকে, তবে প্রাইভেসি কিনব কেন?
কারণ আড়াল করাটা রেজিস্ট্রির সিদ্ধান্ত, আর সেটি বদলাতে পারে। কয়েকটি এক্সটেনশনে এখনো নিবন্ধনকারীর তথ্য প্রকাশ করা হয়, আর প্রাইভেসি সেবা সেগুলোই ঢেকে দেয়। যে নামে রেজিস্ট্রি আগে থেকেই সব আড়াল করে রেখেছে, সেখানে প্রাইভেসিতে বাড়তি কিছু মেলে না — যেকোনো জায়গায় টাকা দেওয়ার আগে এটুকু জেনে রাখা ভালো।