ডোমেইনে থাকা যোগাযোগের তথ্য
প্রতিটি ডোমেইনে চারটি যোগাযোগ থাকে। তার একটিই ঠিক করে, নামটি আপনার — এটা প্রমাণ করতে পারবেন কি না।
হালনাগাদ ০২ সেপ, ২০২৬
প্রতিটি ডোমেইনের সঙ্গে রেজিস্ট্রিতে চারটি যোগাযোগ থাকে: নিবন্ধনকারী, প্রশাসনিক, কারিগরি ও বিলিং। সাধারণত চারটিই একই ব্যক্তি, আর এদের একটি বাকি তিনটির চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
নিবন্ধনকারীই মালিক
রেজিস্ট্রি যাকে নামটির মালিক হিসেবে লিখে রাখে, তিনিই নিবন্ধনকারী। বাকিগুলো কেবল ভূমিকা। নিবন্ধনকারীর জায়গায় এমন কারও তথ্য থাকলে যিনি প্রতিষ্ঠান ছেড়ে গেছেন, বিরোধ মেটানোর একমাত্র নথিতে নামটি তাঁরই।
ডোমেইন পাতায় নামটির জন্য রাখা যোগাযোগগুলো দেখা যায়, সঙ্গে কে কোন ভূমিকায় আছেন তা-ও।
প্রতিটি যোগাযোগ আলাদা একটি নথি, প্রতিটি ডোমেইনে আলাদা করে রাখা কপি নয়। তাই একটি যোগাযোগের পেছনে কুড়িটি নাম থাকতে পারে, আর একবার সংশোধন করলেই সবগুলো সংশোধন হয়ে যায়। এটি সুবিধা, যতক্ষণ না অবাক করে দেয়: কয়েকটি ডোমেইন ব্যবহার করছে এমন যোগাযোগ, তার কোনো একটি ডোমেইন স্থগিত থাকলে সম্পাদনা করা যায় না; আর কোনো ডোমেইন সেটির দিকে দেখাতে থাকলে মুছেও ফেলা যায় না।
সব এক্সটেনশনে চারটি থাকে না। .uk ও .nz-এ কেবল নিবন্ধনকারী থাকে, আর কিছু নয় — আলাদা কোনো প্রশাসনিক বা বিলিং যোগাযোগ হালনাগাদ রাখার প্রশ্নই আসে না, ওই একটিমাত্র নথিই সব।
ইমেইল ঠিকানাটি কেন সচল রাখতেই হবে
রেজিস্ট্রির চিঠি যায় যোগাযোগে থাকা ঠিকানায়, আপনি যে ঠিকানা দিয়ে সাইন ইন করেন সেখানে নয়। মেয়াদ শেষের সতর্কবার্তা, ট্রান্সফারের অনুমোদন, বার্ষিক যাচাইয়ের নোটিশ — সবই ওখানে আসে। আর ঠিকানা ফেরত এলে ডোমেইন স্থগিতও হতে পারে।
নিবন্ধনকারী বদলালে কি ডোমেইন আটকে যায়?
কেবল নাম, প্রতিষ্ঠানের নাম বা ইমেইল ঠিকানা বদলালে — এই তিনটিই সংশোধনকে মালিকানা বদলে পরিণত করে, আর লক এড়ানোরও উপায় আছে। দুটি পথই আছে ডোমেইনের মালিক বদলান লেখায়। যোগাযোগের বাকি সবকিছু অবাধেই সংশোধন করা যায়।
ব্যক্তির বদলে প্রতিষ্ঠানের নাম কি দেওয়া যায়?
যায়, আর ব্যবসার ক্ষেত্রে দেওয়াই উচিত। প্রতিষ্ঠানের নাম কোম্পানির ঘরে দিন, আর যোগাযোগে এমন একজনকে রাখুন যিনি আগামী বছরেও থাকবেন। ব্যক্তিগত ঠিকানায় নিবন্ধিত ডোমেইন সেই ব্যক্তি চলে গেলে তর্কের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।