ফ্রি ঠিকানা ব্যবহার করলে কী হয়?+
নিজের ডোমেইনের মেইল ব্যক্তির নয়, প্রতিষ্ঠানের মতো দেখায়, আর ঠিকানাটি আপনারই থাকে — কেউ চাকরি ছাড়লে ঠিকানা সঙ্গে নিয়ে যায় না। সার্ভার, সফটওয়্যার বা ব্যান্ডউইথও কিনতে হয় না — দল বাড়লে অ্যাকাউন্ট বাড়ান, না বাড়লে সেগুলোর দামও দিতে হয় না।
কোন মেইল প্রোগ্রামে চলবে?+
যেকোনোটিতেই। আউটলুক, থান্ডারবার্ড, অ্যাপল মেইল আর ফোনের মেইল অ্যাপ — সবই আইম্যাপ বা পপ দিয়ে যুক্ত হয়, আর প্রতিটির সেটিংস সহায়িকায় দেওয়া আছে।
ওয়েবমেইলে ঢুকব কীভাবে?+
ঠিকানাটি আপনার নিজের ডোমেইনের আগে ওয়েবমেইল বসিয়ে — যেমন webmail.yourdomain.com — তাই সেটি আমাদের নয়, আপনার নামেই থাকে। পুরো ইমেইল ঠিকানা আর তার পাসওয়ার্ড দিয়ে সাইন ইন করুন।
ফোনে পড়া যাবে?+
হ্যাঁ, যেকোনো স্মার্টফোন বা ট্যাবলেটে। ওয়েবমেইল পর্দার মাপ অনুযায়ী বসে যায়, আর চাইলে ফোনের নিজের মেইল অ্যাপেও চলে।
৫ জিবিতে না কুলালে?+
ওই একটি অ্যাকাউন্টে ৫ জিবির ব্লক যোগ করুন, যতগুলো লাগে। কয়েকটি অ্যাকাউন্টে যদি অনেক বেশি লাগে, এন্টারপ্রাইজ ইমেইল শুরুই হয় প্রতিটিতে ৩০ জিবি দিয়ে — ব্লকের পর ব্লক যোগ করার চেয়ে সস্তা।
আমার সংযোগে ২৫ নম্বর পোর্ট বন্ধ। মেইল পাঠানো যাবে?+
যাবে। পাঠানোর জন্য সাধারণত ২৫ নম্বর পোর্ট ব্যবহার হয়; ইন্টারনেট সরবরাহকারী সেটি বন্ধ রাখলে — যা প্রায়ই হয় — ৫৮৭ নম্বর পোর্ট ব্যবহার করুন। বাকি সব একই থাকে।
মেইলিং লিস্ট বানানো যাবে?+
যাবে — সদস্য যোগ বা বাদ দিন, একজন মডারেটর দিন, নতুন সদস্য নেওয়া বন্ধ রাখুন, কিংবা কোনো ঠিকানাকে নিষিদ্ধ করুন।
অনুপস্থিতির স্বয়ংক্রিয় উত্তর দেওয়া যাবে?+
হ্যাঁ। একবার বার্তাটি লিখে রাখুন — ওই ঠিকানায় আসা প্রতিটি মেইল সঙ্গে সঙ্গে সেটি ফেরত পাবে, যতক্ষণ না আপনি বন্ধ করেন।
স্প্যামের ব্যাপারে নীতি কী?+
পাঠানোর ব্যাপারে কোনো ছাড় নেই। অযাচিত মেইল, গণহারে পাঠানো, কেনা তালিকা বা তথাকথিত নিরাপদ তালিকা — সবই স্প্যাম হিসেবেই গণ্য, আর পাঠালে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়। এই কড়াকড়ির জন্যই বাকি সবার মেইল ঠিকঠাক পৌঁছায়।