এপিআই ব্যবহার
নিজের ব্যবস্থা থেকে অ্যাকাউন্ট ও অর্ডারের কাজ স্বয়ংক্রিয় করা — কার জন্য, আর চাবির নিয়মটি কী।
হালনাগাদ ০২ সেপ, ২০২৬
ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপ যে এপিআই ব্যবহার করে, রিসেলার অ্যাকাউন্টের জন্য সেটিই খোলা আছে। ফলে নিজের বিলিং ব্যবস্থা চালানো কোনো রিসেলার ব্রাউজারের বদলে সেখান থেকেই অ্যাকাউন্ট তৈরি ও ব্যবস্থাপনা করতে পারেন।
এটি কার জন্য
যেসব রিসেলারের গ্রাহকসংখ্যা এত যে ক্লিক করে আর কুলিয়ে ওঠা যায় না, কিংবা যাঁদের চলতি ব্যবস্থাতেই গ্রাহকের তালিকা রাখা আছে। হাতেগোনা কয়েকটি অ্যাকাউন্ট সামলালে রিসেলার ড্যাশবোর্ড এপিআই যা করে তার সবই করে, আর তাতে ডেভেলপার লাগে না।
চাবি নেওয়া
যে নিয়মটি আসল
চাবিটির জায়গা আপনার সার্ভারে, আর কোথাও নয়। ব্রাউজার বা ফোনের অ্যাপ যা পড়তে পারে তা প্রকাশ্য — বাইরে থেকে অ্যাপটি যেমনই দেখাক। মোবাইল বাইনারিতে রাখা চাবি এমন চাবি, যা যে কেউ এক বিকেলেই বের করে ফেলতে পারেন।
চাবিটি কখনো কোনো রিপোজিটরি, বিল্ড লগ বা স্ক্রিনশটে গিয়ে থাকলে বদলে ফেলুন। বদলাতে একটি বার্তা লাগে; কেউ সেটি দিয়ে কী করেছে তা বের করতে অনেক বেশি সময় লাগে।
এটি দিয়ে আসলে কী করা যায়?
রিসেলার অংশ যেসব কাজ দেখায় সেগুলোই: গ্রাহক অ্যাকাউন্ট তৈরি ও তালিকা করা, স্থগিত ও পুনরায় চালু করা, এক প্যাকেজ থেকে আরেকটিতে সরানো, আর নিজের মূল্যতালিকা পড়া। অনুরোধ যায় এইচটিটিপিএস-এ, উত্তর আসে JSON-এ।
কোনো সীমা আছে কি?
আছে, আর সেটি এতটাই উদার যে স্বাভাবিক স্বয়ংক্রিয় কাজে কখনো চোখে পড়ে না। যেটি সীমায় গিয়ে ঠেকে তা হলো লুপে বসে বারবার জিজ্ঞেস করা স্ক্রিপ্ট, যেখানে একটি ঘটনা জানালেই চলত — একই প্রশ্ন প্রতি সেকেন্ডে করতে থাকলে বরং আমাদের কাছে ভালো একটি গড়ন চেয়ে নিন।